রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
দরিয়ানগরে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে পড়ে পর্যটকের মৃত্যূ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে যাচ্ছে কক্সবাজার রেল স্টেশন-রেলপথ প্রতিমন্ত্রী এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না দুই বছর পার হলো জুলাই আন্দোলন : সুশাসনের প্রত্যাশা পূরণ কতদূর? শেখ হাসিনা যদি দেশে ফিরে, আইনের বাইরে সরকার কিছু করবে না: আইনমন্ত্রী হত্যার ছয় বছর পর রায়: জমির সীমানা বিরোধে মা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড পালিয়ে আসার সময় রোহিঙ্গাবাহী নৌকাডুবি, উদ্ধার ১৮ রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গোর  মির্জা ফখরুলের আক্ষেপ “কিছুই বদলায়নি” মালয়েশিয়া শ্রমবাজার খুলেছে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে : মাহদী আমিন

আজম খানের বড় ভাই সংগীত পরিচালক আলম খান মারা গেছেন

আলম খান,সংগীত পরিচালক,

বিনোদন ডেস্ক 

সংগীত পরিচালক ও কালজয়ী গানের গীতিকার, সুরকার আলম খান মারা গেছেন।

শুক্রবার (৮ জুলাই) সকাল ১১টা ৩২ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারসহ নানা রোগে ভুগছিলেন এই সংগীত ব্যক্তিত্ব। আলম খানের ছেলে আরমান খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরমান খান লিখেছেন: ‘আব্বা চলে গেলেন না ফেরার দেশে! ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন!’

আজ বাদ আসর এফডিসিতে আলম খানের জানাজা হবে। আগামীকাল শ্রীমঙ্গলে হবে দাফন। মৃত্যুকালে দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন তিনি। তার আরেক পরিচয় তিনি পপসম্রাট আজম খানের বড় ভাই।

‘ওরে ও নীল দরিয়া’, ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস’, ‘আমি একদিন তোমায় না দেখিলে’, ‘চাঁদের সাথে দেব না’, ‘কী জাদু করিলা’সহ অসংখ্যা শ্রোতাপ্রিয় গানের এই সুরকারের জন্ম ১৯৪৪ সালে সিরাজগঞ্জের বানিয়াগাতি গ্রামে। বাবা আফতাব উদ্দিন খান ছিলেন সেক্রেটারিয়েট হোম ডিপার্টমেন্টের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার ও মা জোবেদা খানম গৃহিণী। আলম খান ১৯৬৩ সালে সংগীত পরিচালক রবিন ঘোষের সহকারী হিসেবে ‘তালাশ’ চলচ্চিত্রে ক্যারিয়ার শুরু করেন। ১৯৭০ সালে দেশের প্রথম চলচ্চিত্রকার আব্দুল জব্বার খান পরিচালিত ‘কাচ কাটা হীরে’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে এককভাবে সংগীত পরিচালনা শুরু করেন তিনি। তার সুর করা প্রথম শ্রোতাপ্রিয় গান ‘স্লোগান’ সিনেমার ‘তবলার তেড়ে কেটে তাক’।

১৯৭৮ সালে মুক্তি পায় ‘সারেং বৌ’। এ সিনেমায় ব্যবহার করা হয় ‘ওরে ও নীল দরিয়া’ গানটি। আবদুল জব্বারের গাওয়া গানটি আলম খানের অনন্য সৃষ্টি। ১৯৮২ সালে ‘রজনীগন্ধা’ চলচ্চিত্রে সাবিনা ইয়াসমীনের গাওয়া ‘আমি রজনীগন্ধা ফুলের মতো’, ‘বড় ভালো লোক ছিল’ চলচ্চিত্রে ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস’ ইত্যাদি গানের সুর আজও সংগীতপ্রিয় মানুষের মনোযোগ কাড়ে। ‘বড় ভালো লোক ছিল’ চলচ্চিত্রের জন্য আলম খান অর্জন করেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

১৯৮৫ সালে আলম খানের সুর করা ‘তিন কন্যা’ চলচ্চিত্রের ‘তিন কন্যা এক ছবি’ গান দিয়ে প্লেব্যাক শুরু করেন কলকাতার নামকরা সংগীতশিল্পী কুমার শানু। ‘নাগ পূর্ণিমা’ চলচ্চিত্রে এন্ড্রু কিশোরের গাওয়া রক ধাঁচের ‘তুমি যেখানে আমি সেখানে’, ‘ভেজা চোখ’ চলচ্চিত্রে একই শিল্পীর গাওয়া ‘জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প’ গানগুলো যতদিন থাকবে সমান প্রশংসায় উচ্চারিত হবে কালজয়ী এই সুরকারের নাম।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION